বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

যার নামে দেশ মাতৃকার মুক্তির জন্য জীবনবাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাংলার কৃষক-শ্রমিক-ছাত্র-জনতা; বাঙালির সেই অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে প্রিয় স্বদেশে পা রাখেন বাহাত্তরের আজকের দিনে। তাই আজ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। মহান নেতার আগমনে পূর্ণতা পায় বাঙালির বিজয়। মুক্তির আনন্দে আরো একবার উদ্বেলিত হয় বাঙালি।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেদিন তার আজন্ম-লালিত স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেন, সেদিন তিনি যেমন আবেগে আপ্লুত, তেমনি সাড়ে সাত কোটি বাঙালি উদ্বেলিত হয়ে উঠেছিল আনন্দে। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার ২৪ দিন পর বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন বাংলাদেশে। তাঁর প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে যেন পূর্ণতা পেলো বাঙালির স্বাধীনতা।

পাকিস্তানের লায়ালপুর সামরিক জেলে গোপন বিচারে যখন বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির ষড়যন্ত্র হচ্ছে, তখন ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিকামী জনগণ বঙ্গবন্ধুর জীবনের নিরাপত্তা ও মুক্তির জোরালো দাবি তোলে। ২৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বাঙালির জাতির পিতা স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির আনুষ্ঠানিক দাবি জানানো হয়। আন্তর্জাতিক চাপের কাছে মাথানত করে শেষ পর্যন্ত ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান সরকার।

মুক্তির পর পাকিস্তান থেকে লন্ডন ও ভারত হয়ে ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু। ঢাকায় পৌঁছে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে জনতার স্রোত ঠেলে তিনি সরাসরি রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ জনতার সমাবেশ হাজির হন।

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ধরেই আজ তার কন্যা দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিচ্ছেন। এই ধারা অব্যাহত থাকলে নিদৃষ্ট সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ সোনার বাংলায় পরিণত হবে বলেও মনে করেন এই দুই বিশ্লেষক।

Check Also

সব তাল ঠিক রাখতে গিয়ে সমালোচনা কুড়াচ্ছেন কলকাতার নায়িকা নুসরাত জাহান

সম্প্রতি শেষ হওয়া ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেন বিয়ের। পাত্র প্রেমিকা লিখিল …