সংবাদ
প্রকাশ : Aug 19, 2026 ইং

ফেনীতে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আতাউরের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ


নিউজ ডেস্কঃ ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ডিবিশন -১ (সোনাগাজী) এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে পছন্দের ঠিকাদার নিয়োগ ও ঠিকাদারকে সিডিউল অনুযায়ী কাজ বাদ দিয়ে নিম্নমানের কাজ করতে সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিনিময়ে তিনি নিয়ে থাকেন মোটা অংকের উপরী। তাছাড়া তিনি নিয়মিত অফিসেও আসেন না বলে জানান অফিসে অনেকে। কারন হিসেবে জানা গেল তার বাড়ি কুমিল্লায়। তাই সপ্তাহে দুই/তিনদিনের বেশি অফিস করেন না তিনি।
জানাযায়, সোনাগাজীর ১ নং চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চান্দলায় ছোট ফেনী নদীতে সিডিউল না মেনে এসডিই আতাউর রহমানের যোগসাজসে নিম্নমানের জিউটিউবের ব্যবহার করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে ভাংগন কবলিত এলাকার মানুষের মাঝে দেখা দিয়ে সংশয়।
ওছাড়াও এসডিই আতাউর ও সংলিষ্ট মাঠ পর্যায়ে অধিনস্থদের সমন্বয়ে মোটা অংকের একটি লেনদেনের বিনিময়ে চর-গোপালগাঁও ৩০০/৩৫০ মিটারের একটি কাজ বিনা কোটেশনে পছন্দের ঠিকাদার নবী কোম্পানিকে পাইয়ে দেন। চান্দলার কাজটি করছে এ নবী কোম্পানি।তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম রহমান ট্রেডার্স।
এগুলো ইমারজেন্সি কাজ হওয়ার কারনে টেন্ডার প্রক্রিয়া হয় কাজ শেষে।
কোটেশন দেখে মুূলত সিলেকশন করে দেয় অফিস কর্তৃপক্ষ আর এখানেই সুযোগ কাজে লাগায় আতাউরের মত এসডিই'রা।
অপরদিকে ৮নং আমিরাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব সোনাপুরে বর্তমানে বড় ফেনী ভাংগন ঠেকাতে প্রায় ১১ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুকূলে ৯২ হাজার জিউ ব্যাগের একটি কাজ করছে কেএসএএল-আইটি নামের
ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।যার স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া।
৯২ হাজার ব্যাগের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার ব্যাগ বালু বরাট হয়েছে বলে অফিস সুত্রে জানা যায়। অবশিষ্ট ব্যাগ ভরাটের জন্য নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে ঠিকাদার বাচ্চুর লোকজন।
সিডিউল অনুযায়ী এই জিউ ব্যাগ গুলি ভাল্কহেড দিয়ে বালু এনে বরাট করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এসডিই আতাউরকে ম্যানেজ করে নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে এমনটা জানিয়েছেন ঠিকাদারের প্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজন।
বর্তমানে কিন্তু ঐ এলাকায় নদী ড্রেজিং বন্ধ আছে। আর পূর্বের ড্রেজিং করা ইজারাকৃত বালু গুলিও বিক্রি শেষ। এমনটা জানিয়েছেন ইজারাদার ও এলাকাবাসী।
নদীর থেকে বালু উত্তোলন করে যদি ব্যাগ ভরাট করে আবার তা নদীতে ফেলে তবে তাতে তো ভাংগন রোধ হবে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আতাউর রহমানের মুঠোফোনে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে বেশ কয়েকবার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিজরুরী কাজ মানে বড় ধরনের ঘাপলা, কোন টেন্ডার ছাড়া পছন্দেের নিয়োগ আর ইচ্ছে মত দুনম্বরী কাজ করে অফিস এছাড়াও কাজ শেষে ঠিকাদারের যোগসাজোসে নির্ধারিত কাজের কয়েক গুন বিল বানিয়ে সরকারি টাকার হরিলুট! চলছে প্রতিনিয়ত পুকুর চুরির মত ঘটনা।
(১ম পর্ব, ২য় পর্ব আসছে)

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্থানীয় সরকার নয়, জাতীয় নির্বাচন আগে চায় বিএনপিসহ বিভিন্ন দল

1

সাঁতার প্রতিযোগিতার সেরা নাফিসা সিনেমায় নায়িকাও, নায়কের তালি

2

খায়রুল কবির খোকন বললেন, ‘তারেক রহমানই সরকার পতন আন্দোলনের মা

3

শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি পলাশ, সম্পাদক মামুন

4

মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্

5

এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক

6

আমাদের জীবিত কিংবদন্তি দিলারা জামান...

7

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড

8

খরচ কমাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

9

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গোপন রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানাল ছাত্রদ

10

প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন

11

বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার

12

সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিট

13

সাংবাদিকতা পেশায় রাজনৈতিক দলবাজি বন্ধ করা দরকার: সংস্কার কমি

14

খালেদা জিয়াকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দিচ্ছে লন্ডন ক্লিনিকের মেড

15

রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন

16

ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে

17

বাড়ির দোতলায়ও পানি, ভাই–বোনের খোঁজ পাচ্ছেন না গায়িকা পুতুল

18

এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

19

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে আবার উত্তেজনা, হামলায় ৩ বাংলাদেশি

20