নিউজ ডেস্কঃ ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ডিবিশন -১ (সোনাগাজী) এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে পছন্দের ঠিকাদার নিয়োগ ও ঠিকাদারকে সিডিউল অনুযায়ী কাজ বাদ দিয়ে নিম্নমানের কাজ করতে সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিনিময়ে তিনি নিয়ে থাকেন মোটা অংকের উপরী। তাছাড়া তিনি নিয়মিত অফিসেও আসেন না বলে জানান অফিসে অনেকে। কারন হিসেবে জানা গেল তার বাড়ি কুমিল্লায়। তাই সপ্তাহে দুই/তিনদিনের বেশি অফিস করেন না তিনি।
জানাযায়, সোনাগাজীর ১ নং চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চান্দলায় ছোট ফেনী নদীতে সিডিউল না মেনে এসডিই আতাউর রহমানের যোগসাজসে নিম্নমানের জিউটিউবের ব্যবহার করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে ভাংগন কবলিত এলাকার মানুষের মাঝে দেখা দিয়ে সংশয়।
ওছাড়াও এসডিই আতাউর ও সংলিষ্ট মাঠ পর্যায়ে অধিনস্থদের সমন্বয়ে মোটা অংকের একটি লেনদেনের বিনিময়ে চর-গোপালগাঁও ৩০০/৩৫০ মিটারের একটি কাজ বিনা কোটেশনে পছন্দের ঠিকাদার নবী কোম্পানিকে পাইয়ে দেন। চান্দলার কাজটি করছে এ নবী কোম্পানি।তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম রহমান ট্রেডার্স।
এগুলো ইমারজেন্সি কাজ হওয়ার কারনে টেন্ডার প্রক্রিয়া হয় কাজ শেষে।
কোটেশন দেখে মুূলত সিলেকশন করে দেয় অফিস কর্তৃপক্ষ আর এখানেই সুযোগ কাজে লাগায় আতাউরের মত এসডিই'রা।
অপরদিকে ৮নং আমিরাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব সোনাপুরে বর্তমানে বড় ফেনী ভাংগন ঠেকাতে প্রায় ১১ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুকূলে ৯২ হাজার জিউ ব্যাগের একটি কাজ করছে কেএসএএল-আইটি নামের
ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।যার স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া।
৯২ হাজার ব্যাগের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার ব্যাগ বালু বরাট হয়েছে বলে অফিস সুত্রে জানা যায়। অবশিষ্ট ব্যাগ ভরাটের জন্য নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে ঠিকাদার বাচ্চুর লোকজন।
সিডিউল অনুযায়ী এই জিউ ব্যাগ গুলি ভাল্কহেড দিয়ে বালু এনে বরাট করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এসডিই আতাউরকে ম্যানেজ করে নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে এমনটা জানিয়েছেন ঠিকাদারের প্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজন।
বর্তমানে কিন্তু ঐ এলাকায় নদী ড্রেজিং বন্ধ আছে। আর পূর্বের ড্রেজিং করা ইজারাকৃত বালু গুলিও বিক্রি শেষ। এমনটা জানিয়েছেন ইজারাদার ও এলাকাবাসী।
নদীর থেকে বালু উত্তোলন করে যদি ব্যাগ ভরাট করে আবার তা নদীতে ফেলে তবে তাতে তো ভাংগন রোধ হবে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আতাউর রহমানের মুঠোফোনে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে বেশ কয়েকবার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিজরুরী কাজ মানে বড় ধরনের ঘাপলা, কোন টেন্ডার ছাড়া পছন্দেের নিয়োগ আর ইচ্ছে মত দুনম্বরী কাজ করে অফিস এছাড়াও কাজ শেষে ঠিকাদারের যোগসাজোসে নির্ধারিত কাজের কয়েক গুন বিল বানিয়ে সরকারি টাকার হরিলুট! চলছে প্রতিনিয়ত পুকুর চুরির মত ঘটনা।