প্রতারকের খপ্পরে বাংলাদেশি নারী বিদেশের যৌনপল্লীতে

প্রতারকের খপ্পরে বাংলাদেশি নারী বিদেশের যৌনপল্লীতে

ডেস্ক রিপোর্ট : মানবপাচারকারী জসিম ও সুভাষের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে বিধবা লাইলি বেগম। লাইলির বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলার পাজরা ভাঙ্গা গ্রামে। তিন সদস্যের হতদরিদ্র পরিবারের বিধবা লাইলি তার কন্যা সোনিয়া (১৫) ও পুত্র মেহেদীকে (১০) নিয়ে সুখশান্তিতে বসবাস করার আশায় জসিম ও সুভাষের প্রলোভনে পড়ে সৌদি আরবে গার্মেন্ট ভিসায় যাওয়ার জন্য নিজের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালঙ্কার এবং ভিটেমাটি বিক্রি ও ধার করে ৪০ হাজার টাকা দেন জসিমের হাতে।
এ সময় জসিম ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে এ টাকা নিয়ে লাইলিকে গত বছরের এপ্রিল মাসে বিদেশে পাঠানোর নামে ঢাকায় নিয়ে আসে। পরে লাইলির কাছ থেকে ৩০০ টাকার সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে সৌদি আরবে প্রতারকের কাছে বিক্রি করে জসিম। প্রতারকরা লাইলিকে সৌদি আরবে নিয়ে বিভিন্ন পতিতালয় তিন-চার মাস মেয়াদে বিক্রি করে। এ অমানুষিক নির্যাতন ও অত্যাচার সইতে না পেরে লাইলি দেশে ফেরার জন্য তার আত্মীয়স্বজনের কাছে বারবার ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করছেন।
লাইলির বাবা সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন। লাইলি মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, তাকে গার্মেন্ট ভিসার পরিবর্তে পতিতালয় বিক্রি করা হয়েছে। তিন-চার মাস পরপর তাকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যৌন হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে পারছেন না। তাকে দেশে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। লাইলিকে দেশে আনার জন্য তার আত্মীয়স্বজনরা জসিমকে চাপ দেয়।
লাইলি ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরবে বলে জসিম প্ল্যানের ভুয়া টিকিট ধরিয়ে দেয় তার ভাই সোনা মিয়াকে। এ টিকিট নিয়ে ঢাকার একটি অ্যাম্বাসিতে গেলে সোনা মিয়া জানতে পারেন, জসিম ২৩ ফেব্রুয়ারি সৌদি যাচ্ছেন। তাৎক্ষণিক সোনা মিয়া তালতলী এসে থানায় ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রতারণার অভিযোগে জসিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ জসিমকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠান।-সূত্রঃ আমাদেরসময়

প্রতারকের খপ্পরে বাংলাদেশি নারী বিদেশের যৌনপল্লীতে

Check Also

আবারও পেছাল মির্জা আব্বাসের দুদকের মামলার রায়

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা …