সাক্কুর বেশি ভোট এসেছে আ.ক.ম বাহরউদ্দিন ও লোটাস কামালের এলাকা থেকে

সময়মতো মুখ খুলবে সীমা

নিউজ ডেস্ক:কুসিক নির্বাচনে কি কারণে নৌকার পরাজয় তা সবই এখন পরিষ্কার। কারণ, কেন্দ্রীয় নেতারা এখানে মানুষের কাছে ভোট চাইতে এসেছিলেন। তারা সবাই ভালো জানেন যে কি কারণে কুসিকে বিএনপি জয়ী হয়েছে। তার স্থানীয় রাজনীতির হালচাল খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করে গেছেন। তাই কি কারণে পরাজয়, তা নিয়ে সময়মতো মুখ খুলব বলে মন্তব্য করলেন সদ্য কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা।
তিনি বলেন, এখানকার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-কোন্দল সবার কাছেই জানা। দলের হয়ে আমি সবার সহযোগিতা চেয়েছি। সবার দ্বারে গিয়েছি। সবার সহযোগিতা পেলে ফলাফল এমন হওয়ার কথা ছিল না। এছাড়াও জানা গেছে, সাক্কুর বেশি ভোট এসেছে আ.ক.ম বাহরউদ্দিন ও লোচাস কামালের এলাকা থেকে।
জাতীয় নির্বাচনের আগ মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ একটি নগরের ভোটের ফলাফল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। হিসেব কষছে নানাভাবেই। দাবার চাল নানা দিকে ছুড়েও হিসেব মিলছে না। ঘুরে ফিরেই ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’। জনগণ নয়, নৌকা হেরেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির কাছেই-এমনটিই মনে করছেন অনেকে।
দশ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে নৌকা হেরেছে ধানের শীষের কাছে। আর বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর বেশি ভোটের অধিকাংশই এসেছে ক্ষমতাসীন দলের দুই এমপি আ ক ম বাহারউদ্দিন ও পরিকল্পনামন্ত্রী লোটাস কামালের এলাকা থেকে। ভোটে আওয়ামী লীগের এই দুই প্রভাশালীর ভূমিকা নিয়েই এখন নানা প্রশ্ন। প্রশ্ন, আওয়ামী লীগ নেতা আফজাল খানের সঙ্গে সাংসদ আ ক ম বাহারউদ্দিন ও লোটাস কামালের দ্বন্দ্বের বলি হলেন না তো সীমা?
প্রশ্ন রাখা হয়, সীমার কাছেও। বলেন, ‘বাবা (আফজাল খান) এলাকার মাটি ও মানুষের রাজনীতি করেন। বাবার ধমনিতে আওয়ামী লীগের আদর্শের রক্ত প্রবাহিত হয়। আমরাও বাবার মতো আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি। রাজনীতি করতে গিয়ে দ্বন্দ্ব-সংঘাত হতেই পারে। তাই বলে, সেই দ্বন্দ্ব দলের ওপরে ঠাঁই পেতে পারে না। আমি তো ক্ষুদ্র। হারল তো দল-ই।’
কোন্দল মেটাতে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভূমিকা যথেষ্ট ছিল কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ‘ এখানে ভোট নিয়ে কি হয়েছে, কার কি ভূমিকা ছিল- তার সবই দেখে গেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা কি চেষ্টা করেছেন, তাও সবাই জানেন।’স্থানীয় নেতাদের ভূমিকার বিষয়ে দলীয় প্রধানকে অবহিত করা হয়েছে কিনা- বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘বাড়িতে লোকজন। আমি ভেঙে পড়িনি। দল যা চাইবে, তাই করব। নেত্রীর সঙ্গে দেখা করার বিষয়টিও দলের ওপরই নির্ভর করছে।’
আওয়ামী লীগের এই নেত্রী বলেন, ‘সকল ভোটারকেই সম্মান করছি। যাকে পছন্দ হয়েছে, তারা তাকেই ভোট দিয়েছে। ভোটের ফলাফল থেকে নিজের দুর্বলতাগুলোও যাচাই করার সুযোগ মিলেছে।

Check Also

সংরক্ষিত মহিলা আসনে কারো সঙ্গে জোট করবে না জাপা

সংবাদবিডি ডেস্ক ঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে কারো সঙ্গে জোট করবে না …