প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরকে উজাড় হয়ে দিয়েছেন, বিভাগও হবে’

ফরিদপুর:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফরিদপুরবাসীকে না চাইতেই দুই হাত উজাড় করে দিয়েছেন, মুক্তহস্তে দিয়েছেন। এবার প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরকে বিভাগ করবেন বলেও আশা করেন তিনি।

বুধবার বিকালে ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ফরিদপুর সদরের সংসদ সদস্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রী যখন বক্তৃতা দেয়ার জন্য দাঁড়ান তখন উপস্থিত জনতা ফরিদপুর বিভাগ দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে মন্ত্রী সবার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বিভাগ হবে, বিভাগ হবে, বসো।’

বিশাল জনসভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের মনে আছে ২০০৮ সালে প্রায় ৯ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে এসেছিলেন। নির্বাচনের আগে এই মাঠে আমাকে পাশে দাঁড় করিয়ে তিনি বলেছিলেন, এই ভদ্রলোককে নৌকা মার্কা দিয়ে যাচ্ছি, আপনারা তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন, ফরিদপুরের উন্নয়নের দায়িত্ব আমার। প্রধানমন্ত্রী তার সেই ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন।’

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘ফরিদপুরবাসী কিছু না চাইতেই দুই হাত উজাড় করে দিয়েছেন। আমি শুধু একটি কথাই বলবো, আপনার পাশে একটি ব্যানারে লেখা আছে, ‘দিয়েছো হৃদয় ভরে, যদি কিছু দিতে চাও তবে বিভাগ শুধু।’ এটা জনগণের প্রত্যাশা। আমি দাবি করছি না। আমার কোনো দোষ নেই।’ এ সময় তিনি ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

উন্নয়নে ফরিদপুরের চেহারা পাল্টে গেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ফরিদপুরকে এখন আর ফকিরপুর বলার সাহস আর কারও নেই।’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে তিনিই একমাত্র রাষ্ট্রনায়ক যিনি দিনক্ষণ ঠিক করে উন্নয়নের রোডম্যাপ দিয়েছেন। ২১ সালের মধ্যে দেশ হবে মধ্যম আয়ের, ৪১ সালে হবে উন্নত। এটা একমাত্র শেখ হাসিনাই দিয়েছেন, বিশ্বের আর কেউ দিতে পারেনি।’

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদেরকে একসময় তলাবিহীন ঝুঁড়ি বলা হতো। কিন্তু এখন আমরা উপচেপড়া ঝুঁড়ি।’ এ সময় তিনি নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

Check Also

বিদেশে নয় দেশের মাটিতেই বিয়ের পরিকল্পনা রকুল-জ্যাকির

সংবাদবিডি ডেস্ক ঃ রকুল প্রীত সিং ও জ্যাকি ভাগনানির বিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি। বিয়ের প্রস্তুতি এখন …