নারী পুরুষের সমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতিতে দেশে নারীর উন্নয়নের অভাবনীয় উত্তরণ নজর কেড়েছে সারা বিশ্বের। যদিও সাংগঠনিক এবং নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে অংশগ্রহণ এখনো আশানুরূপ নয়। পাশাপাশি আছে নির্যাতন, বৈষম্য এবং প্রতারণার গল্প। সমাজের এই প্রেক্ষাপট পাল্টে দিতে পরিবার এবং সমাজের পাশাপাশি নারীর নিজেদেরও ইতিবাচক মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন আনার উপর জোর দিয়েছে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে সফল নারীরা। আর্ন্তজাতিক নারী দিবসে দেশের নারীদের অগ্রগতির খরব পাওয়া গেছে।
নানা বাধা অতিক্রম করে, ধাপে ধাপে প্রতিবছর উন্নয়ন সূচকে বিজয় নিশান উড়িয়ে দিয়ে নিজেরদের সরব উপস্থিতি জানান দিচ্ছে আমাদের নারীরা। সানন্দে বেছে নিচ্ছে চ্যালেঞ্জিং ও ঝুঁকিপূর্ণ পেশাও। নারীর এই অগ্রগতির ক্ষেত্রে আর ফিরে তাকানোর কোন বিকল্প নেই বলেই মনে করে কর্ম ক্ষেত্রে সফল নারী রুবানা হক ও নাসরিন জাহান।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে প্রতি বছর নারী কর্মসংস্থান ৬ শতাংশ হারে বাড়ছে। এক দশকের ব্যবধানে কর্মক্ষেত্রে নারীর উপস্থিতির সংখ্যা বেড়েছে ৬৬ লাখ ৮২ হাজার। তবে এ কর্মসংস্থানের সিংহভাগই বেড়েছে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে। বর্তমানে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে ৭ শতাশের মতো নারী রয়েছে। তবে উপসচিব পর্যায়ে এই সংখ্যা এক শতাংশ বা তার চেয়েও কম। দেশের সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৩৩৪ টি। এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ৮৩ হাজার ১৩৩ জন।
ওর্য়াল্ড ইকোনোমি ফোরামের বৈশ্বিক লিঙ্গ বিভাজন সূচক ২০১৮ অনুযায়ি নারী পুরুষের সমতার দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবার উপরে। এই প্রতিবেদনকে ইতিবাচক উল্লেখ করে নারী নেত্রীরা বলছেন সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হয়েছে, তবে তা যথেষ্ট নয়।
খবরের পাতায় দেশের অনাচে কানাচে ঘটে যাওয়া নারী নির্যাতনের ঘটনা এখনও দুঃখজনক বলেও জানান তারা।

Check Also

সুপ্রভাত-জাবালে নূর বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

সুপ্রভাত পরিবহনের সাথে জাবালে নূর পরিবহনের সবগুলো বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন …