আগামী পাঁচ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হবে: তোফায়েল

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি দেশের মানুষ আস্থা রেখেছেন এবং ৩০ ডিসেম্বর উন্নয়নের পক্ষে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন। শেখ হাসিনা এমন একজন নেত্রী, যিনি স্বপ্ন দেখান এবং স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেন। আগামী পাঁচ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের জন্য হবে ঐতিহাসিক। কারণ এ সময় জাতি উদযাপন করবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। পাশাপাশি এ সময় দেশে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে, যার ফলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার সচিবালয়ে তার অফিস কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। নির্বাচনের পরে এদিন তিনি প্রথম অফিস করেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা দেশকে ডিজিটাল ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ডিজিটাল ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। দেশে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। আগামী পাঁচ বছরে তিনি বাংলাদেশকে অন্যরকম উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। ইতিমধ্যে গ্রামের মানুষ শহরের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টকে দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি স্বাধীনতাবিরোধী দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। দেশের মানুষ তা গ্রহণ করেননি, ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশের নতুন প্রজন্মসহ সব ভোটার নিজেদের মনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রার্থীদের সঙ্গে ভোটারদের সম্পর্ক ছিল না, মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তার চেয়ে অর্থের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এসব কারণেই তাদের এ ভরাডুবি।

তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, দেশের মানুষ ৩০ ডিসেম্বরের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এদিন তারা মনের আশা ব্যালটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। যারা দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, মুক্তিযোদ্ধা- বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল, মা-বোনের উজ্জত হরণ করেছিল, জিয়াউর রহমান তাদের এবং বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুনর্বাসন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী এ সময় জীবন দিয়েছিলেন। দেশের মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তার জবাব দিয়েছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিল, এখনও আছে। শেখ হাসিনার সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিনামূল্যে বই বিতরণ ও শিক্ষা ভাতার ব্যবস্থা করেছে। দেশে যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা যাচ্ছে। দেশে ব্যাপক উন্নতি হচ্ছে, বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশে ব্যাপক উন্নতি হবে।

Check Also

নতুন বছরে স্বস্তি ফিরেছে পুঁজিবাজারে

টানা দরপতনের পর নতুন বছরে স্বস্তি ফিরে এসেছে দেশের পুঁজিবাজারে। ২০১৮ সাল জুড়েই দেশের প্রধান …